‘লাল ঘোড়া দাবড়ায়ে দেব’ সেই হুকুম দাতা কই
হাবিবুর রহমান স্বপন , রবিবার, ডিসেম্বর ২৩, ২০১২


একটি বিদেশী সংস্থার অর্থনৈতিক প্রতিবেদন থেকে জানা গেল বিদেশে অর্থ পাচারে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৪ তম। চীন এক্ষেত্রে প্রথম স্থানে রয়েছে। ভারত ও পাকিস্তানের অবস্থানও প্রথম ১০টি দেশের মধ্যেই রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর এক’শ ৪০ কোটি ডলাররেরও বেশী বিদেশে পাচার হয়। সংবাদপত্রের মাধ্যমেই জানলাম গত ১০ বছরে সোয়া লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে (তথ্য সূত্র: ওয়াশিংটন ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডি এফ আই)। এই পাচার হওয়া টাকার উৎস্য দুর্নীতি। ১০ হাজার কোটি টাকা থেকে যদি ৫ কোটি টাকা পাচার হয় সেটার চেয়ে ভয়াবহ ১’শ কোটি টাকা থেকে ১ কোটি টাকা পাচার হওয়া। এভাবে চীন ও ভারতের অর্থনীতির সাথে আমাদের দেশের তুলনা এভাবেই করা যায়।

জাতীয় সংসদের স্পিকার মো: আব্দুল হামিদ অ্যাডভোকেট বলেছেন, ‘বাংলদেশে বছরে যে পরিমাণ ঘুষ-দুর্নীতি হয় সে টাকা দিয়ে প্রতি বছর পদ্মা সেতুর মতো একটি সেতু নির্মাণ সম্ভব’। তিনি বলেছেন এই দুর্নীতি সব সরকারের সময়ই হয়েছে। সরকার আসে সরকার যায়, কিন্তু দুর্নীতি কমে না। সরকার পরিবর্তন হলেও দুূর্নীতি বন্ধ হবে না। কারণ আমরা সুযোগ পেলেই দুর্নীতি করি। একটি বেসরকারি সংস্থার (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল) জরিপে দুর্নীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বের মধ্যে ১৩ তম। এর আগে পর পর কয়েক বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল প্রথম। প্রথম অবস্থান থেকে ১৩ তম অবস্থানে যাওয়ায় যে দুর্নীতি হ্রাস পেয়েছে সেটা ভাবার কোন কারণ নেই। দুর্নীতির সূচকে কোন হের-ফের হয় নাই। বরং কোন কোন ক্ষেত্রে তা বেড়েছে। পুলিশ, কাস্টমস, স্বাস্থ্য, ভূমি, শিক্ষা ইত্যাদি বিভাগে দুর্নীতি ভয়াবহ। এছাড়াও দুর্নীতি আছে সড়ক ও জনপথ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সমূহে।

সংবাদপত্রের মাধ্যমেই জানতে পারলাম দুর্নীতি দমন কমিশন প্রভাবশালী ৬০ ব্যক্তির বিদেশে পাচার করা প্রায় এক হাজার কোটি টাকা দেশে ফেরত আনতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এসব প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, আমলা ও অন্যান্য পেশার লোকেরা। দুদক সূত্রে জানা গেল ইতোমধ্যেই আরাফাত রহমান কোকোর (বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খারেদা জিযার ছোট ছেলে) টাকা ফেরত এসেছে। সাবেক তত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকে এ পর্যন্ত অর্থ পাচার সংক্রান্ত ৫০ টি মামলা করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল মুহিত অতিসম্প্রতি সিলেটে এক সভায় বলেছেন, উচ্চ পর্যায়ে দুর্নীতি কমেনি।
দুর্নীতি এমন একটা বৃক্ষ, যার শাখাগুলি অসম্ভব রকমের দীর্ঘ আর তা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। একটি প্রবাদ সবাই আমরা জানি ‘দুর্নীতিকে যতই প্রশ্রয় দেওয়া যাবে ততই তা বাড়বে’।
যখন মানুষ দুর্নীতিমুক্ত থাকে তখন সেখানে আইন নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে। আর যেখানে মানুষ দুর্নীতিতে পূর্ণ থাকে সেখানে আইনের ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাউকে সোচ্চার হতে দেখি না। বঙ্গবন্ধু তার বক্তৃতা-বিবৃতিতে প্রায়ই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতেন। কথা বলতেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানী। বর্তমানের কোন নেতার মুখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে শুনি না। ক্ষমতায় থাকাকালীন নেতারা বিরোধী দলের নেতাদের দুর্নীতি প্রসঙ্গে কথা বলেন। অথচ ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি করেন এবং দুর্নীতিবাজদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেন।

আমার মনে পড়ে ১৯৬৯ সালের কথা। মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানী পাবনা টাউন হল প্রঙ্গণে জনসভায় বক্তৃতা দিবেন। তার বক্তৃতার আগে এক কর্মী বললেন সরকারি কর্মচারীরা অফিসে গেলে জনগনের সঙ্গে ভাল আচরণ করেন না। ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না। আর সরকারি কর্মচারিরা অফিসার্স স্টেশন ক্লাবে জুয়া খেলে। মাওলানা ভাষানী তার বক্তৃতা শেষে বললেন ‘আমার সঙ্গে আপনারা চলেন দেখি অফিসারদের জুয়ার আড্ডাটা দেখে আসি’। জনতা ছুটলো স্টেশন ক্লাবের দিকে। এই খবর আগেই পৌঁছে গিয়েছিল স্টেশন ক্লাবে। যে যেদিক দিয়ে পারে দৌড়ে পালাতে যেয়ে হুমড়ি খেয়ে আহত হলেন ক’জন। বেশ আলোড়ন হয়েছিল সেদিনের ঘটনায়। এর পর বেশ কিছু দিন বন্ধ ছিল জুয়ার আসর। সরকারি কর্মচারিরাও তার পর থেকে জনগনের সাথে ভাল আচরণ করতেন।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে হুশিয়ার উচ্চারণ করে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘লাল ঘোড়া দাবড়ায়ে দেব’। এর পর শুরু হলো শুদ্ধি অভিযান। তখন অনেকেই তার কথায় নাখোশ হয়েছিলেন। অনেক দুর্নীতিবাজ তার ওই কথায় কর্ণপাত না করে ঘুষ-দূর্নীতি করে প্রচুর সম্পদ করে। ১৯৭৪-’৭৫ সালে দুর্নীতি বিরোধী অভিযান চলে। বঙ্গবন্ধু যেখানেই জনসভায় ভাষণ দিতেন ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতেন। তিনি বলেন, যারা ঘুষ-দুর্নীতি করে তারা দেশ ও জাতীর শত্রু। তিনি দুর্নীতিমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে সবুজ বিপ্লবের ডাক দেন। দুর্নীতিবাজ এবং দেশী-বিদেশী চক্রান্তকারীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। এর পরের ইতিহাস আমরা কম বেশী সবাই জানি।

দুর্নীতি আমাদের সকল অর্জনকে ঘুনপোকার মত কেটে ধ্বংশ করে দিচ্ছে। আমরা বিশ্ব অর্থনীতির তৈলাক্ত বাঁশের ৫ ফুট উঠছি আর নামছি সাড়ে ৩ ফুট। এতে আমাদের অগ্রযাত্রা মন্থর হয়ে পড়ছে।
দুর্নীতি প্রসঙ্গে যখন লিখতে বসেছি তখন শুক্রবারের ‘সংবাদ’ এর শিরোনামে একটি খবর : সরকার মাঠ পর্যায়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মাঠ প্রশাসনে বিরাজমান অনিয়ম, দুর্নীতি ও বিশৃংখলার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে বিভাগীয় কমিশনাররা অভিযোগ করেছেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়া ডিসি ও ইউএনও’রা মাঠ প্রশাসনে কায়েম করেছেন চরম স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও দুর্নীতি। প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়ে তারা প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কোন নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে পালন করছেন না। বিভাগীয় কমিশনারগণ মন্ত্রীপরিষদ সচিবকে এটা জানিয়েছেন।

এটা কেমন প্রশাসন যে নি¤œ পদস্থরা উর্দ্ধতনদের আদেশ মানেন না ? এ প্রসঙ্গে বলতে হয়, দুর্নীতিবাজ পিতা যদি পুত্রকে ভাল কাজ করার নির্দেশ দেন তা যেমন কার্যকরি হয় না। তেমনই ডাকাতের সন্তান ডাকাতির প্রশিক্ষণ পিতার কাছেই পেয়ে থাকে। মন্ত্রী যদি সৎ হন। তা হলে তার অধঃস্তনরা সৎ হতে বাধ্য। সচিব যদি ন্যায়-নীতিবান হন তা হলে তার নি¤œ পদস্থরা আদর্শ হবেন। চোরের শিষ্য চোর হয় আর সাধুর শিষ্য সাধু হয় সেটাইতো আমাদের জানা। কখনও কখনও এর ব্যতিক্রম হয়। আর এই ব্যতিক্রম তখনই হয় যখন দেখা যায় সাধুর কাঁধে শয়তান বৈতরণী পার হতে চায়। সেক্ষেত্রে সাধু যদি কঠোর না হন তা হলে ভরাডুবি হয়। সেই ভরাডুবিতে সাধুরও পতন হয়। এমন উদাহরণ আছে ভুড়ি-ভুড়ি। শয়তানের রূপ অনেক। সে তার বহুরূপী চরিত্র নিয়ে আবির্ভাব হয় এবং সততাকে পদদলিত করে সভ্যতাকে ধ্বংশ করে দেয়।

আমার চেনা-জানা কয়েকজন দুর্নীতিবাজ সম্পর্কে যদি বর্ননা দেই তা হলে আপনারা আঁৎকে উঠবেন। এসব দূর্নীতিবাজরা বন খেকো ওসমান গণি কিংবা জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে টাকা নেয়া তানভিরের চেয়ে কম না। ১৯৭৫ সালে রক্ষী বাহিনী বিলুপ্তির পর একজন অফিসার পুলিশ সুপার হয়ে পদন্নোতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হয়ে অবসরে গেছেন তিনি শত কোটি টাকার সম্পদ করেছেন। দারোগা থেকে সহকারি পুলিশ সুপার হয়ে অবসর নিয়েছেন এমন একজনকে জানি তিনিও প্রায় শতকোটি টাকার সম্পদ করেছেন। একজন কাস্টমস অফিসার যিনি এখন ঢাকা, রাজশাহী ও পাবনায় মোট ৬ টি বাড়ির মালিক। রয়েছে গার্মেন্টস ব্যবসা। পানি উন্নয়ন বোর্ডে চাকুরি করে যে প্রকৌশলী চীফ ইঞ্জিনিয়ার থেকে পরিচালক হয়ে অবসরে গেছেন তার ঢাকা এবং সিরাজগঞ্জে মোট ৩ টি প্রথম শ্রেণীর রেঁস্তোরা। ঢাকা, পাবনায় ডজন খানেক বাড়ি। টেলিফোন বিভাগের প্রকৌশলী থেকে পরিচালক হয়ে যিনি অবসরে গেছেন তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা। অবসরপ্রাপ্ত এক সচিবের ঢাকায় ৩ টি বাড়ি। সন্তানরা আমেরিকার লসএঞ্জেলস-এ বাড়িতে থাকেন। এক সাব ইন্সপেক্টরের ছেলে-মেয়ে লন্ডনে পড়া-লেখা করে। মাত্র ৯ বছর চাকুরি করে তিনি বগুড়ায় জমি কিনেছেন ১১ বিঘা। একজন প্রকল্প কর্মকর্তাকে চিনি যিনি রাজধানীতে এবং পাবনায় ৪টি বাড়ি করেছেন। পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের আধা ডজন ছোট-বড় কর্মচারিকে চিনি যারা চাকুরি করে কোটি কোটি টাকার সম্পদ করেছেন। সর্ব নি¤œ পদের নৈশ প্রহরী যে তারও কম পক্ষে দশ কোটি টাকার সম্পদ। একজন কলেজ শিক্ষক যিনি পরে স্কুল বোর্ডের চেয়ারম্যান হন তিনিও শত কোটি টাকার স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির মালিক। ডজন খানেক প্রকৌশলীকে চিনি-জানি যারা নির্বাহী প্রকৌশলী হয়েছেন। ৫ জন সাব রেজিস্টারকে জানি যারা কোটি কোটি টাকার সম্পদ করেছেন চাকুরি করে। এখন তাদের প্রত্যেকের সম্পদের পরিমাণ নিরূপণ করতে রিতীমত ক্যালকুলেটর লাগবে। বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের সময় বেশ কয়েকজন সাব-রেজিস্টার এবং সরকারি কর্মচারি ট্রুথ কমিশনের কাছে তাদের দোষ স্বীকার করেছিলেন। এভাবে স্বাধীনতার পর থেকে দেখে আসছি সরকারি কর্মচারি, রাজনীতিবিদ, এনজিও’র কর্ণধার এবং ব্যবসায়ীদের আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হতে। চোরাকারবারি, ভূমিদস্যুদের দেখছি দাপট। কত কালো টাকার লোক যে জাতে উঠলো ! ভদ্র লোকদের এখন এদেশে বসবাস করা কঠিন। যার যত অবৈধ টাকা সে তত ক্ষমতাধর। সৎ লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ছে। ন্যায়-নীতি সমাজ থেকে ক্রমান্বয়ে বিতাড়িত হচ্ছে !

দুর্নীতি রোধে কোন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। এখন যখন দেখি সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন, তখন ভাবছি, এই দেখার কাজটি কে করবেন ? যিনি দেখবেন তিনি কতটা সৎ ? তিনি কি দুর্নীতির উর্দ্ধে ? দুর্নীতিমুক্ত ব্যক্তি ছাড়া তো দুর্নীতি রোধ করা যাবে না। দুর্নীতি রোধে দরকার ইতালীর মত সুদ্ধি অভিযান। মাত্র এক’শ জন ম্যাজিস্ট্রেট এবং সমসংখ্যক পুলিশ অফিসার দেশটিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে রক্ষা করেছিলেন। জাঁদরেল ঘুষখোর পুলিশ অফিসার, দুর্নীতিবাজ সামরিক কর্মকর্তা, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ীরা ভয়ে তাদের সম্পদ ফেলে রেখে বিদেশ পালিয়ে গেল। পালানোদের তালিকায় রাজনীতিবিদরাও ছিলেন। তাদের অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ইতালি সরকার রাষ্ট্রীয় তহবিলে জমা করে।
যারা দেশে অর্থ পাচার করে বিদেশের ব্যাংকে রেখেছেন, বাড়ি-ঘর করে বিলাসী জীবন-যাপন করছেন তাদের সবাই দেশের প্রভাবশালী ব্যক্তি। বড়’রা যখন দুর্নীতি করে তখন সেটা ছড়িয়ে যায় সর্বত্র। এজন্যই তো বলা হয়, দুর্নীতি এমন একটা বৃক্ষ যার শাখা প্রশাখার দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় না।

অন্য দেশের স্বাধীনতা আর আমাদের স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর কম সময়ে ( ৯ মাসে) সবচেয়ে বেশী বেসামরিক লোক নিহত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়। আর পৃথিবীর কোন দেশের মানুষ ভাষার জন্য জীবন দেয়নি। বাংলা ভাষার জন্য বাঙালি জীবন দিয়েছে। এদেশের শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। যে চেতনায় এ দেশের মানুষ ভাষা আন্দোলন করেছেন এবং মুক্তিযুদ্ধ করেছেন সেই চেতনায় আমাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। কে চালিয়ে দিবে লাল ঘোড়া ? কে বাঁধবে বিড়ালের গলায় ঘন্টা?

হাবিবুর রহমান স্বপন
(লেখক:সাংবাদিক,কলামিস্ট)
মোবা: ০১৭১০৮৬৪৭৩৩