বিজয়ের মাস
তানিয়া হাসান খান, শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১২

শুনেছি এ আমার বিজয়ের মাস........ আমি যখন হাটতে যাই রাজপথে জারি হল কারফিউ... তবুও পা বাড়াই পায়ে জড়িয়ে যায় শৃঙ্খল..... কারফিউ শেষে যদিও আমি এক সাধারণ পথচারী..... আমার পাশ দিয়ে যায় মিছিল.... অবাক হয়ে মিছিল দেখি....... এ মাসের প্রতিদিনই বের হবার কথা .. স্মৃতির বিজয় মিছিল....... তবে এ কিসের মিছিল? শুনেছি এ আমার বিজয়ের মাস........ আমি অবাক হতে হতে ঢুকে পরি মিছিলের ভীড়ে..... আমাকে কারা যেন ধাওয়া বিস্তারিত...


বিশ্বজিতের চিতার আগুন আমার বুকে জ্বলছে
মামুন জামিল, শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১২

বিশ্ববাসী দেখলো নতুন কারবালার ঐ মাঠটা, রক্তে ভেজা বিশ্বজিতের যত্নে পরা শার্টটা ! নিষ্ঠুরতায় হার মানে কি ফোরাত নদীর কুলটা? হায়েনাদের মন বুঝে কি পাষাণ খুনের ভুলটা ? হাজার সীমার ছিলো যখন রক্ত খেলায় মগ্ন, বিশ্বজিত কি জানতো তখন শেষ বিদায়ের লগ্ন? লিখেছিলো মায়ের কাছে-'কাটছেনা মোর দিনটা, আবার তোমায় দেখবো কবে সারক্ষণ এই চিন্তা' । ফিরলো শেষে অন্য বেশে চিতায় যাওয়ার বিস্তারিত...


কাল্লু কসাই ছাত্র হবে !
মামুন জামিল, শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১২

কাল্লু কসাই উদাস চোখে দূরে তাকায়, চিন্তা করে-- পেশায় কি তাঁর গলদ কোথাও,মন কেনো আজ নিন্দা করে? ওরা নাকি ছাত্র ছিলো "ক্যাডার' না হয় দলের নেতা, মানুষ কাটায় হাত কাঁপেনি, মন থাকলে মর্মব্যথা ! কপাল জুড়ে উঠলো ফুটে ভয় মাখানো বক্ররেখা, এমন করে মানুষ কাটা চামড়া চোখে হয়নি দেখা ! হালাল উপায় জবাই করা ছাগল গরুর মাংস কাটে, এখন কেন হাত দিতে তাঁর ঘেন্না লাগে ছুরির বাটে ? তাই বলে কি বাপের বিস্তারিত...


নিশ্চিন্ত পুরের লোকগুলো
মামুন জামিল, বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৯, ২০১২

ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে করতো কি কাজ লোকগুলো? ক্ষুধার জ্বালা মিটবে খানিক, হাতছানি দেয় সুখগুলো ! মাথার ভেতর খেলতো সদাই বেঁচে থাকার চিন্তা , ঘোরের মাঝে কাটতো তাদের সেলাই কলে দিনটা । বেচে থাকার জন্য ছিলো সুঁই-সুতাটা অস্ত্র, দক্ষ হাতে গড়তো ওরা বিলাসিদের বস্ত্র ! নিশ্চিত কোন জীবন তাদের ছিল কিনা জানতো না, শোষক শ্রেনীর মালিক তাদের মানুষ বলেই মানতো না ! এক পলকে খাঁচার জীবন ঝলসে বিস্তারিত...


পরকীয়া পেড়িয়ে
শ্রীশুভ্র, বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৯, ২০১২

অনেকটা শারীরীক উত্তাপ ছেঁকে নিয়ে যে গোলাপটা ফুটিয়েছি! নরম কাঁটার উষ্ণ আঁচড়ে দেখ আমার গোলাপী স্বাক্ষর তোমার নরম বুকে পরম নিশ্চিন্তে! আমাদের আলিঙ্গনের আসমানী ভোরের নরম কুয়াশা হয়ত কেটে যাবে একদিন! হয়তো শিশু রোদ তোমার নরম বুকে আমার উষ্ণতা মেখে ভালোবাসা ছড়াবে আরো! আরো আলো, আরও দিগন্ত প্লাবী দুরন্ত উদ্দীপনায়! অনেক আলোকবর্ষ দূরের শিশুরাও একদিন সে আলো গায়ে মেখে বিস্তারিত...


নিরন্তর শীর্ষসুখ
মোহাম্মদ আন্ওয়ারুল কবীর, বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৯, ২০১২

চরম পুলকে শীর্ষসুখ ক্ষণপ্রভা শেষটায় শুধুই আবেশ জাবর কাটা স্মৃতি জানে পুরুষ, জানে নারী । নিরন্তর শীর্ষসুখ পাবে কোথায় ! না বিজ্ঞান, না দর্শন করে ভেদ কুয়াশা গাঁথা তুচ্ছ কবি আমি পৃথিবীর পথে জানি গূঢ় পথের শেষে নি:সীম শূন্য বেহালায় নিথর সুর শূন্য কি অপূর্ণ বিষণ্ণতা না পাওয়া বেদনা ! অনুভবে আনো শূন্য, হ্‌ও শূন্য আনো বোধ- আমার কবর ফলক জানে নিরন্তর শীর্ষসুখ। বিস্তারিত...


শীতলক্ষা
মোঃ রাকিব উদ্দিন, শুক্রবার, অক্টোবর ২৬, ২০১২

আজ সারাদিন নদীর সঙ্গে জলকেলি কখনো শীতলক্ষা কখনো আল্ বেলী এভাবে ডিঙি এভাবে ট্রলার অথচ বালু নৌকায় চড়ে অতসী নরাবলী হলুদ ছুঁয়েছে আমাকে আমার অসীম গনগনে রোদ, কখনো যায় শাদাকাশ মেঘ কখনো পুড়ায় স্মৃতির তামাটে নগর নদী যাকে খায়, এভাবেই খায়। সমকামী যুগলের মত যে ছিলো সেঁটে সারাদিন তার সাথে কেটেছে জীবনের বেশ অর্ধেক সময় কবিতা আর অ্যান্টিকবিতার মাঝে আমাদের খুচরো কথা হয়, যেসব বিস্তারিত...


রাতের ইতিহাস
সীমান্ত পথিক কবি, বুধবার, অক্টোবর ২৪, ২০১২

সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতেই বুড়ো অশ্বথ অস্তিত্ব সমেত অবনত বিশ্রাম বেছে নেয় । উড়ন্ত ধূলো চক্র বেছে নেয় সরল ক্রান্তি রেখার পরিনাম । ভিখারীর অংক জ্ঞান ডুব দেয় থলের অগোছালো অর্জনে । হেঁসেলের উনুনে চেপে বসে ভিন্ন চেহারার অভিন্ন অধিকার । রমনীর বক্ষ বন্ধনী গুনতে শুরু করে মুক্তির নিকট প্রহর । অতপর মধ্য রাত হতেই… ধীরে ধীরে দমে যেতে থাকে আলোর বিচিত্র অহংকার । আঁধারের কোলে অন্ধ বিস্তারিত...


তোমাকেই ভালবাসি প্রিয়তমা
মোহাম্মদ আন্‌ওয়ারুল কবীর।, সোমবার, অক্টোবর ১৫, ২০১২

না, প্রকৃতিও পারে না ফেরাতে তপোমগ্ন প্রেমিক আঁকে বিমূর্ত প্রেম দু:সহ সময় ক্যানভাসে - লয় পায় অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ সময়হীন সময়ে শেষটায় প্রেমই জয়ী। কে বলে প্রাগ্রসর প্রেম সহসা নিশ্চল! ঈশ্বরের বাণীর মত অব্যয় অক্ষয় প্রেম সঞ্চারিত ভালবাসায় ভূমি কর্ষণে প্রেমিক উদ্বেলিত তুমি তোমার মন, দেহ নাভিমূলে জাগে সাড়া। এভাবেই একবার, দুবার, তিনবার সহস্রবার গোলা ভরে ভালবাসা বিস্তারিত...


শ্রীশুভ্র'র এক গুচ্ছ কবিতা
শুভ্র ভট্টাচার্য্য, শনিবার, অক্টোবর ০৬, ২০১২

***"নাজনীন"*** আমি যেন নবীন হয়ে উঠি আরো, তোমার ওই ঠোঁটের স্বাদে নাজনীন! বিবর্ণ প্রাসাদের ছায়া ফেলে পিছনে; সোনালী আগুনে তোমার সারাদিন-- পুড়ে পুড়ে রাঙা হয়! রাঙা হয়ে ওঠে তোমার শরীরে ঐ আমার শরীর! এ দাহ প্রদাহ নয়! পৃথিবীর বয়সী হয়েও অনেক গভীর! মৃত সব প্রেমিকের হাহূতাশ এখনো খেলে বেড়ায় তোমার এলো চুলে! তবু আমারও মৃত্যু হলে নাজনীন! আমাকেও কি যাবে বল ভুলে? আজ রাতে প্রলয় হবে বিস্তারিত...


উপলব্ধি
Shawkat Ripon, রবিবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১২

এই যে নিষ্পাপ শিশু গড়েছে যে সুখের নিকুঞ্জ আমারই বক্ষ মাঝে- খুঁজে পেতে চায় শান্তির আশ্রয় আমারই দু'বাহুতে ফাঁদা আবর্তে। সে কি কভু জানবে, তার পিতাও এমনি ছিল নিষ্পাপ ? কোন কালে ! কাম সঙ্গীতের সপ্ত সুরের আরাধনায় পঞ্চম স্তরেই যে আবির্ভাব ঘটিয়েছিল একটি নিষ্পাপ শিশু'র চিরচেনা মানবীর অচেনা গর্ভে । খুঁজে মরে আজ শান্তির আকাশ পাপ-পূণ্যের অজানা চক্রে নির্বাক হতাশ যুবক- পিতা বিস্তারিত...


আসিফ আবরার 'এর পাঁচটি কবিতা
আসিফ আবরার, রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১২

ধিকধিক আলো জ্বলে ওঠে ধিকধিক আলো জ্বলে ওঠে তোর অন্দরে, কোমরে বলনাচ। ঝাড়বাতি। উৎসব। আমি জানি ওটা পুরুষের চোখ। তোকে চেটে খায়, নগ্ন করে, বেশ্যার হালখাতা খুলে বসে বাজারে বাজারে। ধিকধিক আলো জ্বলে ওঠে তোর কালো গাউনে অন্ধকার নামে আধখানা চাঁদের মতো স্তন জ্বলে ওঠে মদের বোতল ছেড়ে ওরা তাকায় এর চাইতে সুপুষ্ট বোতল ওরা দেখেনি কখোনো। পুরুষের চোখ দিয়ে আমি পুরুষ চিনেছি উপভোগের বিস্তারিত...


লুকোচুরি
- মাহমুদুল হাসান ফেরদৌস , শনিবার, সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১২

তুমি চাইলেই আজ দেখে যেতে পারো আমার সর্বস্ব, আমার ভেতর বাহির কিংবা সদ্য প্রসূত আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস। তোমার জন্য স্তূপাকারে জমিয়ে রাখা আমার কষ্টের বিলাপ ভিক্ষুকের মতো আশার দৃষ্টি দিয়ে হারিয়ে ফেলা সময় হাত দিয়ে ঘুলিয়ে একাকার করে দিতে পারো তুমি সহজেই। নিষিদ্ধ পলি-ব্যাগে লুকিয়ে রাখা রোদের আলো আর কালো ক্যানভাসে মুড়িয়ে নেওয়া রাতের আঁধারকে তুমি চাইলেই আজ ছুড়ে দিতে বিস্তারিত...


প্যাক-আপ !
সৌভিক দা', বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১২

হয়ত ওটা কোন নাটকের সিকোয়েন্স ছিল তাই খেলা শেষে, ধুলো ঝেড়ে আমরা বলেছি, যাই ! উন্মত্ত সমুদ্র বক্ষে যেমন জ্যাক এঁকেছিল একটি সমর্পিত প্রজাপতির ছবি - মখমলের সুদৃশ্য বিছানায় পেয়াজের খোসার মত যখন খুলে খুলে পড়ছিল রোজ ডি-উইটের পোষাক... হয়ত ওরকমই কোন ম্যুভির ট্রেইলার চলছিল আমাদের ভাঙাচোরা তক্তপোষটি ঘিরে আর পেছন থেকে কেউ একজন চিৎকার করে উঠেছিল - কাট ! যদিও, আমরা শুনতে পাইনি সে বিস্তারিত...


বেলা শেষে
সীমান্ত পথিক কবি, বুধবার, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১২

এই আলো-আধাঁরী,সুখ দুখ আহাজারী এরই মাঝে জীবনের যত চাওয়া পাওয়া। আনন্দ বেদনায়,পাওয়া বা না পাওয়ায় বেলা শেষে অতীতের পথ ভূলে যাওয়া। এই রোদ-ছায়াতে,দেহ মন কায়াতে স্বপ্নগুলো সব আধফোটা কলি। শীত আর কুয়াশায়,অবশেষে নিরাশায় বেলা শেষে নিভে যায় আলো দীপাবলি। এই প্রেম-ভালোবাসা,স্বপ্ন ও হতাশা নিত্যই রচে যায় রণক্ষেত্র। বিরহের নীল ছায়া,মুছে দিয়ে সব মায়া বেলা শেষে মুদে দেয় বিস্তারিত...


« Previous | 1 | 2 |    Page 1 of 2